বুধবার (২৬ জুন) সকালে বরগুনা সরকারি কলেজ রোড়ে সন্ত্রাসীরা স্ত্রীর সামনেই কুপিয়ে গুরুতর জখম করে রিফাত শরীফকে।
দেশ
জুড়ে এখন শুধু একটাই আলোচনা। স্ত্রীর সামনে স্বামীকে খুন। আর তাও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল শ খানেক লোক। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসল না। এ নিয়ে এরই মধ্যে উত্তাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।
সর্বশেষ এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। মামলা হয়েছে ১২ জনের নামে। নিহতের বাবা বাদী হয়ে এ মামলা করেন। পুলিশের সঙ্গে অভিযানে সহোযোগীতা করছে র্যাব সদস্যরাও।
এমন যখন অবস্থা তার মধ্যেই সামনে আসল এক ফেসবুক পোস্টের কমেন্টের স্কীনসর্ট। যা সম্প্রতি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। যা থেকে আসলে অনেক কিছুই প্রকাশ পায়!
ওই স্কীনসর্টে দেখা যায়, কমেন্টে করে নয়ন বন্ডকে ‘সরি জান’ বলে সম্বোধন করে মিন্নি শরীফ।
এরপর প্রতিউত্তরে নয়ন বন্ড মিন্নিকে বলেন, ‘নো সরি… এগুলো আমার প্রাপ্য…’
এরপর আবারও মিন্নি বলেন, ‘ (নয়ন বন্ড) সরি বললাম তো…’
তাদের এ উভয়ের এ ধরণের যোগাযোগ থেকে তাদের সম্পর্ক অনেকটাই স্পষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।
এর আগে ৭ জুন নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন মিন্নি। সেখানে তিনি লেখেন, ‘তোরে ভুলে যাওয়ার লাগি আমি ভালোবাসিনি সব ভেঙ্গে যাবে এভাবে ভাবতে পারিনি তুই ছাড়া কে বন্ধু হায় বুঝে আমার মোন তুই বিহনে আর এ ভুবনে আছে কে আপন?’
প্রসঙ্গত, বুধবার (২৬ জুন) বরগুনার কলেজ সড়কের ক্যালিক্স কিন্ডারগার্টেনের সামনে দিনে দুপুরে স্ত্রীর আয়েশা আক্তারের সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে দুর্বৃত্তরা।
এই হামলার ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত রিফাত শরীফ সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের দুলাল শরীফের ছেলে।স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় স্বামী রিফাত শরীফকে। বুধবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে বের হন রিফাত।
বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে এলে প্রকাশ্যে স্ত্রীর সামনে স্বামী রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করে বরগুনা পৌরসভার ধানসিঁড়ি সড়কের আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে নয়ন বন্ড এবং তার প্রতিবেশী দুলাল ফরাজীর ছেলে রিফাত ফরাজী।
এ সময় বারবার সন্ত্রাসীদের হাত থেকে স্বামীকে বাঁচাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।
চোখের সামনে স্বামীকে হত্যার বর্ণনা দিতে গিয়ে কাঁদলেন মিন্নি। বললেন, আমার চোখের সামনেই আমার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তারা। অনেক চেষ্টা করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারিনি আমি।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার নিজ বাড়িতে বসে স্বামী হত্যার ঘটনার বর্ণনা দেন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি বলেন, সকাল ৯টার দিকে স্বামী রিফাত শরীফের সঙ্গে বরগুনা কলেজে আসি আমি। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কলেজ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য রওনা দেই আমরা।
বরগুনার কলেজ সড়কের ক্যালিক্স কিন্ডার গার্টেনের সামনে পৌঁছালে বেশ কয়েকজন যুবক আমাদের গতিরোধ করে। সেই সঙ্গে রিফাত শরীফকে মারধর শুরু করে তারা। এর মধ্যেই চাপাতি নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী।
মিন্নি বলেন, নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী চাপাতি নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে রিফাত ফরাজীর ছোট ভাই রিশান ফারজী। এরপরই রিফাত শরীফকে নির্মমভাবে চাপাতি দিয়ে কোপাতে থাকে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী। আমি তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কিছুতেই তাদের থামাতে পারিনি।
রিফাতকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায় তারা। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।
মিন্নি আরও বলেন, ভিডিওতে যাদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে মূলত তারাই প্রথমে রিফাত শরীফ ও আমার পথ আটকে দিয়েছিল। সেই সঙ্গে তিন-চারজন রিফাত শরীফকে মারতে শুরু করেছিল। নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী চাপাতি দিয়ে রিফাত শরীফকে কোপাতে শুরু করলে তারা পাশে দাঁড়িয়ে দেখেছিল। এরপর আমি প্রাণপণ চেষ্টা করেও রিফাত শরীফকে বাঁচাতে পারিনি।
এদিকে, রিফাত শরীফ হত্যার ঘটনায় ১২ জনকে অভিযুক্ত করে বুধবার রাতে একটি হত্যা মামলা করেছেন নিহতের বাবা দুলাল শরীফ। এ মামলার ৪নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রিফাত
বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন বলেন, রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় চন্দন নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশাকে বরগুনা সরকারি কলেজে নিয়ে যান রিফাত। কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ আরও দুই যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে তারা। রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামানো যায়নি।
তারা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।রনির ভাইয়ের মতো আরও ৫ জন এগিয়ে এলে আমার স্বামী রিফাত শরীফ বাঁচতো’। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বিকেলে রিফাতে নিজ বাড়িতে কাঁদতে কাঁদতে এমন আক্ষেপের কথা বলছেন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।
জানা যায়, রিফাতের ওপর হামলার সময় বরগুনা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নুরুল ইসলাম রনি হামলাকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন।
বিকেলে রিফাতের দাফন শেষে নুরুল ইসলাম রনি জানান, সবাই দাঁড়িয়ে হত্যাকাণ্ড দেখবে সেটা কখনো হয় না। আমি যেহেতু মানুষ সেই হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। যতটুকু পেরেছি ততটুকু করেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে পারলাম না রিফাত শরীফকে। আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন রিফাত। বড় কষ্ট হচ্ছে, বিবেকের কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনার পর জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র্যাব, জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে
জুড়ে এখন শুধু একটাই আলোচনা। স্ত্রীর সামনে স্বামীকে খুন। আর তাও দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখল শ খানেক লোক। কিন্তু কেউ এগিয়ে আসল না। এ নিয়ে এরই মধ্যে উত্তাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক।
সর্বশেষ এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। মামলা হয়েছে ১২ জনের নামে। নিহতের বাবা বাদী হয়ে এ মামলা করেন। পুলিশের সঙ্গে অভিযানে সহোযোগীতা করছে র্যাব সদস্যরাও।
এমন যখন অবস্থা তার মধ্যেই সামনে আসল এক ফেসবুক পোস্টের কমেন্টের স্কীনসর্ট। যা সম্প্রতি বেশ আলোড়ন সৃষ্টি করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে। যা থেকে আসলে অনেক কিছুই প্রকাশ পায়!
ওই স্কীনসর্টে দেখা যায়, কমেন্টে করে নয়ন বন্ডকে ‘সরি জান’ বলে সম্বোধন করে মিন্নি শরীফ।
এরপর প্রতিউত্তরে নয়ন বন্ড মিন্নিকে বলেন, ‘নো সরি… এগুলো আমার প্রাপ্য…’
এরপর আবারও মিন্নি বলেন, ‘ (নয়ন বন্ড) সরি বললাম তো…’
তাদের এ উভয়ের এ ধরণের যোগাযোগ থেকে তাদের সম্পর্ক অনেকটাই স্পষ্ট বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে।
এর আগে ৭ জুন নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন মিন্নি। সেখানে তিনি লেখেন, ‘তোরে ভুলে যাওয়ার লাগি আমি ভালোবাসিনি সব ভেঙ্গে যাবে এভাবে ভাবতে পারিনি তুই ছাড়া কে বন্ধু হায় বুঝে আমার মোন তুই বিহনে আর এ ভুবনে আছে কে আপন?’
প্রসঙ্গত, বুধবার (২৬ জুন) বরগুনার কলেজ সড়কের ক্যালিক্স কিন্ডারগার্টেনের সামনে দিনে দুপুরে স্ত্রীর আয়েশা আক্তারের সামনে রিফাত শরীফকে কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে দুর্বৃত্তরা।
এই হামলার ভিডিওচিত্র সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত রিফাত শরীফ সদর উপজেলার বুড়িরচর ইউনিয়নের দুলাল শরীফের ছেলে।স্ত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয় স্বামী রিফাত শরীফকে। বুধবার সকালে স্ত্রীকে নিয়ে বের হন রিফাত।
বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে এলে প্রকাশ্যে স্ত্রীর সামনে স্বামী রিফাতকে কুপিয়ে হত্যা করে বরগুনা পৌরসভার ধানসিঁড়ি সড়কের আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে নয়ন বন্ড এবং তার প্রতিবেশী দুলাল ফরাজীর ছেলে রিফাত ফরাজী।
এ সময় বারবার সন্ত্রাসীদের হাত থেকে স্বামীকে বাঁচাতে চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।
চোখের সামনে স্বামীকে হত্যার বর্ণনা দিতে গিয়ে কাঁদলেন মিন্নি। বললেন, আমার চোখের সামনেই আমার স্বামীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে তারা। অনেক চেষ্টা করেও স্বামীকে বাঁচাতে পারিনি আমি।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে বরগুনার মাইঠা এলাকার নিজ বাড়িতে বসে স্বামী হত্যার ঘটনার বর্ণনা দেন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।
আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি বলেন, সকাল ৯টার দিকে স্বামী রিফাত শরীফের সঙ্গে বরগুনা কলেজে আসি আমি। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কলেজ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য রওনা দেই আমরা।
বরগুনার কলেজ সড়কের ক্যালিক্স কিন্ডার গার্টেনের সামনে পৌঁছালে বেশ কয়েকজন যুবক আমাদের গতিরোধ করে। সেই সঙ্গে রিফাত শরীফকে মারধর শুরু করে তারা। এর মধ্যেই চাপাতি নিয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হয় নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী।
মিন্নি বলেন, নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী চাপাতি নিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে রিফাত শরীফকে জাপটে ধরে রিফাত ফরাজীর ছোট ভাই রিশান ফারজী। এরপরই রিফাত শরীফকে নির্মমভাবে চাপাতি দিয়ে কোপাতে থাকে নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী। আমি তাদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু কিছুতেই তাদের থামাতে পারিনি।
রিফাতকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায় তারা। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।
মিন্নি আরও বলেন, ভিডিওতে যাদের পাশে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেছে মূলত তারাই প্রথমে রিফাত শরীফ ও আমার পথ আটকে দিয়েছিল। সেই সঙ্গে তিন-চারজন রিফাত শরীফকে মারতে শুরু করেছিল। নয়ন বন্ড ও রিফাত ফরাজী চাপাতি দিয়ে রিফাত শরীফকে কোপাতে শুরু করলে তারা পাশে দাঁড়িয়ে দেখেছিল। এরপর আমি প্রাণপণ চেষ্টা করেও রিফাত শরীফকে বাঁচাতে পারিনি।
এদিকে, রিফাত শরীফ হত্যার ঘটনায় ১২ জনকে অভিযুক্ত করে বুধবার রাতে একটি হত্যা মামলা করেছেন নিহতের বাবা দুলাল শরীফ। এ মামলার ৪নম্বর আসামি চন্দনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রিফাত
বরগুনার পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন বলেন, রিফাত শরীফকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় চন্দন নামের এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।
প্রসঙ্গত, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ত্রী আয়েশাকে বরগুনা সরকারি কলেজে নিয়ে যান রিফাত। কলেজ থেকে ফেরার পথে মূল ফটকে নয়ন, রিফাত ফরাজীসহ আরও দুই যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়।
এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে তারা। রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা দুর্বৃত্তদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুতেই হামলাকারীদের থামানো যায়নি।
তারা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন রিফাত শরীফকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে বরগুনা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে রিফাত শরীফের মৃত্যু হয়।রনির ভাইয়ের মতো আরও ৫ জন এগিয়ে এলে আমার স্বামী রিফাত শরীফ বাঁচতো’। বৃহস্পতিবার (২৭ জুন) বিকেলে রিফাতে নিজ বাড়িতে কাঁদতে কাঁদতে এমন আক্ষেপের কথা বলছেন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।
জানা যায়, রিফাতের ওপর হামলার সময় বরগুনা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নুরুল ইসলাম রনি হামলাকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন।
বিকেলে রিফাতের দাফন শেষে নুরুল ইসলাম রনি জানান, সবাই দাঁড়িয়ে হত্যাকাণ্ড দেখবে সেটা কখনো হয় না। আমি যেহেতু মানুষ সেই হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। যতটুকু পেরেছি ততটুকু করেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে পারলাম না রিফাত শরীফকে। আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন রিফাত। বড় কষ্ট হচ্ছে, বিবেকের কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনার পর জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র্যাব, জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে


Comments
Post a Comment